বাঁকুড়ার বার্তা : পরীক্ষার মাত্র ২০ দিনের মাথায় প্রকাশিত হল জয়েন্ট এনট্রান্সের ফল। এবার জয়েন্টে সাফল্যের হার ৯৯ শতাংশের উপর। এবারে মোট ছাত্র-ছাত্রীর ৭৪ শতাংশ ছাত্র ও ২৪ শতাংশ ছাত্রী এই প্রবেশিকা পরীক্ষায় বসেছিল।
২১'শের এই জয়েন্টে প্রথম স্থান অধিকার করে রহড়া রামকৃষ্ণ মিশনের ছাত্র পাঞ্চজন্য দে, দ্বিতীয় বাঁকুড়া জেলা স্কুলের সৌম্যজিৎ দত্ত, তৃতীয় শান্তিপুর মিউনিসিপ্যাল স্কুলের ছাত্র ব্রতীন মন্ডল।
দ্বিতীয় স্থানাধিকারী সৌম্যজিৎ দত্ত বাঁকুড়া জেলা স্কুলের ছাত্র। বাবা বাঁকুড়া সম্মেলনী মেডিক্যাল কলেজের ডাক্তার হলেও, পদার্থ বিদ্যা, ও অঙ্ক পাগল সৌম্যজিতের ইচ্ছা ছিল ইঞ্জিনিয়ার হবার। রেজাল্ট বের হবার পর অভিনন্দন ও শুভেচ্ছায় ভরে যায় দত্ত পরিবার।
সৌম্যজিৎ জানায় লকডাউনের ছুটি সে নষ্ট করেনি ভবিষতে সে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং, বা ইসি নিয়ে পড়তে চায়। তার এই সাফল্যে গর্বিত তার জেলা স্কুল সাথে আপামোর বাঁকুড়াবাসী।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন