বাঁকুড়ার বার্তা: করোনার গোষ্ঠী সংক্রমণ নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক ও রাজ্য গুলির মধ্যে ধোঁয়াশা কাটল না। কেরালার মুখ্যমন্ত্রী বলেন তিরুআনন্দপুরম এর কিছু অঞ্চলে গোষ্ঠী সংক্রমণ শুরু হয়েছে। আবার পশ্চিমবঙ্গের স্বরাষ্ট্র সচিবও প্রেস কনফারেন্স এ জানান কিছু কিছু জায়গায় গোষ্ঠী সংক্রমণ হয়েছে। কিন্তু কেন্দ্রীর স্বাস্থ্য মন্ত্রক গোষ্ঠী সংক্রমণের কথা মানতে নারাজ। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দাবি গোষ্ঠী সংক্রমণ হয়নি এখনো তবে কিছু কিছু জায়গায় স্থানীয় ভাবে সংক্রমণ হয়েছে।
গোষ্ঠী সংক্রমণ কি
করোনার ক্ষেত্রে গোষ্ঠী সংক্রমণ ছড়ায় এক মানুষ থেকে অন্য মানুষে।
করোনা ভাইরাসের বাহককে তিন ভাগে ভাগ করা যায় ১) সংক্রমিত ব্যাক্তি ২) সংক্রমিত ব্যাক্তির আত্মীয় পরিজন ৩) সংক্রমিত ব্যাক্তির ও আত্মীয় পরিজনদের সংস্পর্শে আসা বাইরের মানুষ।
প্রশাসনের কাছে সংক্রমিত ব্যাক্তি ও তার পরিজনদেরকে চিহ্নিত করা সহজ কিন্তু বাইরে মানুষ জন যারা তাদের সংস্পর্শে এসেছিলেন তাদের কে চিহ্নিত করা খুবই কঠিন কাজ। জানা গেছে একজন সংক্রমিত ব্যাক্তি গড়ে ২.৬ জনকে ভাইরাস ছড়াতে পারে ঠিক তেমনই তার পরিজনদের মাধ্যমেও ওই একই ভাবে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। এই ভাবে সংক্রমণ ছড়াতে ছড়াতে একমাস পর দেখা যায় ওই প্রথম সংক্রমিত ব্যাক্তির মাধ্যমে প্রায় ৩৫০০ জন মানুষ সংক্রমিত হন। এইভাবে বিশাল সংখ্যক মানুষ আস্তে আস্তে সংক্রমিত হয়ে পড়েন।
এদিকে পশ্চিমবঙ্গ সরকার লকডাউন ঘোষণা করেছেন এ সপ্তাহের বৃহস্পতি ও শনি বার এবং সামনের সপ্তাহের বুধবার। পুলিশি তৎপরতা শুরু হয়ে গেছে সব থানায়। জোরদার চলছে মাইকে প্রচার।
লকডাউন চলবে সকাল ৬ টা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত। লকডাউন চলাকালীন জরুরি পরিষেবা গুলি ছাড় দিলেও বন্ধ থাকেছে ব্যাংকগুলো।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন