বাঁকুড়ার বার্তা

এগিয়ে রাখে বাঁকুড়াকে

Search Your News

বাঁকুড়ার বার্তা

◆ বাঁকুড়ার বার্তা ◆ খবর আর বিনোদন ◆ বিজ্ঞাপনের জন্য আমাদের মেল করুন ◆ আমাদের মেল bankurarbarta@gmail.com ◆ For Advertisement Please Contact our Mail ◆ ◆ বাঁকুড়ার বার্তা ◆ খবর আর বিনোদন ◆ আমাদের ফেসবুক পেজে ইনবক্স করুন ◆ বাঁকুড়ার বার্তা ◆ খবর আর বিনোদন ◆ বিজ্ঞাপনের জন্য আমাদের মেল করুন ◆ আমাদের মেল bankurarbarta@gmail.com ◆ For Advertisement Please Contact our Mail ◆ বাঁকুড়ার বার্তা ◆ খবর আর বিনোদন ◆ আমাদের ফেসবুক পেজে ইনবক্স করুন ◆ বাঁকুড়ার বার্তা ◆ খবর আর বিনোদন ◆ বিজ্ঞাপনের জন্য আমাদের মেল করুন ◆ আমাদের মেল bankurarbarta@gmail.com ◆ For Advertisement Please Contact our Mail ◆ বাঁকুড়ার বার্তা ◆ খবর আর বিনোদন ◆ আমাদের ফেসবুক পেজে ইনবক্স করুন

২৪ ঘন্টার মধ্যেই সরে গেলেন বিজেপি থেকে।


বাঁকুড়ার বার্তা : ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান এর  ফুটবল খেলোয়াড় মেহতাব হোসেন বিজেপিতে যোগদান করেছিলেন গতকাল। একুশে জুলাই মমতা ব্যানার্জীর ভার্চুয়াল সভা চলাকালীন মুরুলিধর সেন রোডে বিজেপির রাজ্য দপ্তরে গিয়ে বিজেপির পতাকা তুলে নিয়েছিলেন। কিন্তু আজই ডিগবাজি দিয়ে বিজেপি থেকে সরে দাঁড়ালেন।
সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে জানান এ কথা। তার ফেসবুক পেজে কি লিখেছেন তিনি আসুন দেখে নেওয়া যাক।

যে মানুষগুলো আমাকে মেহতাব করে তুলেছিল সেই মানুষগুলোর পাশে থাকার জন্যই আমার রাজনীতিতে প্রবেশ করার ইচ্ছা । মনে হয়েছিল, রাজনীতিতে এলে হয়তো আরও বেশি মানুষের কাছে পৌছতে পারব । সারা পৃথিবীর এই খারাপ সময়ে সামর্থ্য অনুযায়ী  বহু মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি , তবুও যেন একা পেরে উঠছিলাম না । চারিদিকে ওই অসহায় মুখগুলো আমার রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছিল। চারপাশের সংখ্যাটা রোজ বাড়ছে । 

তাই হঠাৎ করেই রাজনীতিতে যোগ দিই আমি । তবে তারপর অদ্ভুত একটা উপলব্ধি হয় । যাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য আমার রাজনীতিতে আসা, তারাই আমাকে অনুরোধ করে, আমি যেন রাজনীতিতে সরাসরি না যাই । মানে, কোথাও গিয়ে তাদের ভাবাবেগ যেন আমাকে রাজনীতিবিদ হিসেবে দেখতে চাইছে না । তাদের কাছে আমি এখনও ফুটবলার , মিডফিল্ড জেনারেল । ওদের ভালবাসাই আমাকে মেহতাব করে তুলেছিল । আমার পরিশ্রম আর স্বপ্নকে ওই মাঠে-ময়দানের মানুষগুলোই বাস্তবে পরিণত করেছিল । তাদের ওদের অনুরোধ আমাকে অনেক কিছু শিখিয়ে গেল । মনে হল , আমি যাদের জন্য রাজনীতিতে এলাম তারাই আমাকে এই বেশে দেখতে চাইছে না । তাহলে কিসের জন্য আমি নিজের সত্ত্বাটা বদলাতে চাইছি? কিসের জন্য নিজেকে এক লহমায় আলাদা করতে চাইলাম?

তাই অনেক ভেবে সিদ্ধান্ত নিলাম, রাজনীতি থেকে নিজেকে সরিয়ে নেব । মাঝেমধ্যে , বৃহত্তর স্বার্থের জন্য ক্ষুদ্রতর স্বার্থকে ত্যাগ করতে হয় । আমিও তাই করতে চাই । নিজের রাজনৈতিক পরিচয়ের থেকে আমার কাছে ওই মানুষগুলোর ভালবাসা অনেক বেশি দামী, অনেক বেশি প্রিয় । ওই উন্মুক্ত সবুজ মাঠই আমার জায়গা , ওই গ্যালারির গগনভেদী "মেহতাব-মেহতাব" চিৎকারই আমার পছন্দের শ্লোগান । সেই শ্লোগানে অন্যকিছু মিশুক তা আমি চাই না । আমি চাইনা আমার ভালবাসার ও খুব কাছের লোকগুলো এইভাবে দুরে সরে যাক । ওদের জন্যই তো আমার যাবতীয় লড়াই , ওরাই যখন চাইছে না তখন নিজেকে 'রাজনীতিবিদ' হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার ব্যর্থ চেষ্টা না করাই ভাল । 

 আমি চাই না আমার জীবনটা বদলে যাক । আমার পরিবার মৌমিতা, জিদান, জাভি কেউই সমর্থন করেনি আমার আকস্মিকতা । ঠিক যেভাবে সাধারণ মানুষ কষ্ট পেয়েছে , সেভাবে ওরাও পেয়েছে । সকলকে নিয়েই তো আমার পরিবার। পরিবারের মুখগুলো কষ্ট পেলে আমিও ভেঙে করি, এটাই স্বাভাবিক- এটাই জীবনের নিয়ম।  আমার কাছে অন্য কোনও কিছুর থেকে ওই 'মিডফিল্ড জেনারেল ' নামটা অনেক বেশি প্রিয় , অনেক বেশি আপন ।

কারোর প্রতি কোনও ঘৃণা নেই , রাগ নেই । বাইরের কেউ  এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্যও করছে না । সম্পূর্ণ নিজের ইচ্ছাতেই সরে যাচ্ছি এই রাজনীতির ময়দান থেকে । যেভাবে মানুষের পাশে থেকেছি সেভাবে ভবিষ্যতেও থাকব । 

আজ থেকে কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আমি যুক্ত নই । আমার এই সিদ্ধান্তের জন্য আমার সকল শুভানুধ্যায়ীদের কাছে আমি ক্ষমাপ্রার্থনা করছি ।

★লেখাটি মেহতাব হোসেনের ফেসবুক পেজ থেকে সংগৃহীত।

কোন মন্তব্য নেই: