মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীর সৃষ্ট স্বাস্থ্যসাথী ক্যাশলেস স্মার্ট কার্ড বর্তমানে সাধারণ মানুষের কাছে চিকিৎসার ক্ষেত্রে এক বড়ো সম্বল।
বাঁকুড়ার বার্তা : স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের আওতায় বর্তমানে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্য, আইসিডিএস ওয়ার্কার্স অ্যান্ড হেল্পার্স, আশা কর্মী, নাগরিক স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী, সিভিল ডিফেন্স স্বেচ্ছাসেবক এবং চুক্তিভিত্তিক নির্দিষ্ট কিছু কর্মচারীর পরিবার। বর্তমানে RSBY সুবিধাভোগী এবং অন্যান্য সুবিধাভোগীও এই প্রকল্পের আওতায় আনা হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় যোগ্য মোট পরিবার বর্তমানে ১৪২ লক্ষ। এই কার্ডের বীমার প্রিমিয়াম দেয় সরকার, উপভোক্তাদের কোন টাকা লাগে না।
ষষ্ঠ পর্যায়ে আরো মানুষকে এই কাশলেশ স্মার্ট কার্ডের অধীনে আনার প্রয়াস সরকার থেকে নেওয়া হয়েছে।
আজ বাঁকুড়ার ঘুটগড়িয়া পঞ্চায়েতে ৫৮৬ জন মানুষের হাতে স্বাস্থ্যসাথী কার্ড তুলে দিলেন পশ্চিমবঙ্গের শ্রম ও আইন মন্ত্রী মলয় ঘটক।
এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কেন্দ্রে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন তিনি। তিনি বলেন কেন্দ্রের মোদি সরকার এ রাজ্যে থেকে বিয়াল্লিশ হাজার কোটি টাকা কেটে নিয়ে চলে যায়।
আইসিডিএস এর টাকা দেয় না।ফলে অন্যান্য রাজ্যে বন্ধ হয়ে গেছে আইসিডিএস স্কুল। কিন্তু দিদি পশ্চিমবঙ্গে এই প্রকল্প বন্ধ হতে দেন নি।
অথচ মোদি সরকার কেন্দ্রের প্রকল্পে নিজের ছবি ছাপিয়ে মানুষকে ভুল বোঝাতে চাইছে। যেখানে ৬০ শতাংশ টাকা রাজ্যকে দিতে হয়। যদি ছবি ছাপাতেই হয় তাহলে ৬০ শতাংশ টাকা যে দিচ্ছে তার ছবিই ছাপা হোক। কন্যাশ্রী প্রকল্পে তো আপনারা টাকা পান। কিন্তু কেউ কি নরেন্দ্র মোদির বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও প্রকল্পে একটা টাকাও পেয়েছেন? কেউ পাননি। মোদি সরকার শুধু ভ্রান্ত প্রচার করে মানুষকে বিভ্রান্ত করছেন।
মন্ত্রী মলয় ঘটক ছাড়াও এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বড়জোড়া ব্লকের বিডিও ভাস্কর রায়, বাঁকুড়া জেঃ পঃ কর্মাধক্ষ্য সুখেন বিদ, কো মেন্টর আশুতোষ মুখার্জী সহ পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধক্ষ্যরা ও বিভিন্ন পঞ্চায়েতের প্রধানরা।



কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন