
বাঁকুড়ার বার্তা : অরাজনৈতিক কর্মসূচির মাধ্যমে দলের সঙ্গে ইতিমধ্যেই অনেকটা দূরত্ব তৈরি হয়েছে পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। একাধিক মন্ত্রী ও তৃণমূল নেতা নাম না করেও নন্দীগ্রামের বিধায়কের বিরুদ্ধে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছেন। সেসব বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব নীরব থেকেছে। এদিকে বৃহস্পতিবার হুগলি রিভার ব্রিজ কমিশনার্সের চেয়ারম্যান পদে ইস্তফা দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। রাজনৈতিক দূরত্বের পর বাড়ল প্রশাসনিক দূরত্ব। ওই পদে নিযুক্ত হচ্ছেন শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এই ফলে ফের নতুন করে জল্পনার সৃষ্টি হয়েছে।
HRBC-র চেয়ারম্যান পদ ছাড়াতে শুভেন্দুর ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক জীবন নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়ে গেল। কারণ গতকাল বাঁকুড়ার দলীয় জনসভায় দল বদলের জল্পনা নিয়ে কড়া বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, নাম না করে তিনি বলেন, "অনেকেই বলছেন, এই জেলায় পর্যবেক্ষক কে, ওই জেলায় পর্যবেক্ষক কে। আমি বলছি সারা বাংলায় আমিই পর্যবেক্ষক। কোথায় কী হচ্ছে, কে কোথায় যাচ্ছে, কে কার সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে, আমি সব জানি। সব বুঝেও তাঁদের ছেড়ে রেখেছি। এত দিন সরকারের কাজে বেশি মন দিয়ে দলকে একটু ঢিলে দিয়েছিলাম। কিন্তু এ বার পুরো দলটাই আমি দেখব।"
শুভেন্দু নিয়ে যে বঙ্গ রাজনীতিতে ধোঁয়াশা আরো বাড়ল বলার অপেক্ষা রাখে না অন্য দিকে শুভেন্দুর জায়গায় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে দায়িত্ব দিয়ে তৃণমূলও স্পষ্ট একটা বার্তা দিয়ে রাখলো এমনটাই মত রাজনৈতিক মহলের।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন