বাঁকুড়ার বার্তা: অনেকেরই নানা কারণে মাঝপথে থেমে যায় লেখাপড়া। উচ্চ শিক্ষার আশা থাকলেও সম্পূর্ন হয়না সেই ইচ্ছেটা। রাজ্যের কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা দপ্তর সেই সকল ছাত্র ছাত্রীদের স্বপ্ন পূরণ করেছে। তারা এই ভোকেশনাল পরীক্ষার মাধ্যমে ১০+২ প্যাটার্নে পাশ করে উচ্চ শিক্ষার পথে এগিয়ে যেতে পারবে।
এবার ভোকেশনাল পরীক্ষায় হেলথ কেয়ার নিয়ে পড়ে চাঁদাই বারোহাজারি সম্মেলনী হাই মাদ্রাসার ছাত্রী সাহিদা খাতুন রাজ্যে প্রথম স্থান অধিকার করল। তিনি মোট ৫০০ নম্বরের মধ্যে ৪৯৮ পেয়েছেন।
সাহিদার একটি সাড়ে তিন বছরের সন্তান আছে। সংসারের সমস্ত কাজ,সন্তানের জন্য সময় দিয়েও ইচ্ছে থাকা সত্বেও পড়াশুনা করতে না পারার যন্ত্রনা নিয়ে হেলথ কেয়ার নিয়ে ভোকেশনাল স্ট্রিমে পড়াশুনা শুরু করেন এবং আজ তিনি রাজ্যের মধ্যে প্ৰথম।
এই লড়াইয়ের রাস্তায় তিনি সর্বদা পাশে পেয়েছেন তার স্বামী কে।স্বামী চাঁদাই এ চাষবাস নিয়ে ব্যাস্ত থাকলেও লেখাপড়ায় অনুপ্রেরণা জুগিয়েছেন স্ত্রী সাহিদা কে।
আর আজ সাহিদা অনুপ্রেরণা সেই সকল ছাত্র ছাত্রীদের কাছে যাদের পড়াশুনা থেমে গেছে মাঝ রাস্তায় কোন কারণে।
তার এই কৃতিত্বকে সম্মান জানাতে উপস্থিত হয়েছিলেন বিষ্ণুপুর তৃণমূল যুব সভাপতি অর্চিতা বিদ, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কাজল পড়েল ও প্রমুখ।
বাঁকুড়ার বার্তা সাহিদা কে জানায় শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।



কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন