ব্যুরো রিপোর্ট : বাঁকুড়ার জেলার সমস্ত পঞ্চায়েত আধিকারিক ও বিডিওদের সঙ্গে এমএনআরজিই এস নিয়ে এক রিভিউ মিটিং হল বাঁকুড়ার রবীন্দ্র ভবনে।
প্রত্যেক পঞ্চায়েত ধরে ধরে আলোচনা হয়। কোন পঞ্চায়েতের ১০০ দিনের কাজে কতটা এগিয়ে, কোন পঞ্চায়েত কত বেশি সংখ্যক জবকার্ডধারী দের কাজ দিতে পারছে বা দিতে পারছে না বা কেন দিতে পারছে না তা নিয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ রূপে আলোচনা হয়। নির্মাণ সহায়কদের আরো বেশি সংখ্যক স্থায়ী সম্পদ কি ভাবে সৃষ্টি করা যায় যে নিয়েও আলোচনা হয়।
উল্লেখযোগ্য বাঁকুড়া জেলা পরিষদ দীনদয়াল উপাধ্যায় পঞ্চায়েত স্বশক্তিকরন পুরস্কার পায় এবং ভারতের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করার পর জেলা প্রশাসন আরো উঠে পড়ে লেগেছে সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে আরো ভালো ফল করার জন্য।
এদিন ডিএম ঘোষণা করেন যে পঞ্চায়েত একশ দিনের কাজে ভালো ফল করবে তাদের কে সেই পঞ্চায়েতে গিয়ে সম্মানিত করা হবে।
এদিন এই প্রশাসনিক মিটিং এ উপস্থিত ছিলেন বাঁকুড়া ডিএম ও তার প্রশাসনিক স্তরের আধিকারিক সহ মন্ত্রী শ্যামল সাঁতরা,জেলা পরিষদের সভাধিপতি মৃত্যুঞ্জয় মুর্মু, তৃণমূলের জেলা সভাপতি শুভাশিস বটব্যাল,মেন্টর অরূপ চক্রবর্তী, কো-মেন্টর আশুতোষ মুখার্জি, কৃষি,সেচ ও সমবায় কর্মাধক্ষ্য সুখেন বিদ, পূর্ত
কর্মাধক্ষ্য শিবাজী ব্যানার্জী সহ আরো অনেকে।


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন